ত্রিশ বছর আগেই দয়াল বাবা জালালী মাওলা বলেছিলেন তেনার পর্দা করার পবিত্র দিন ও ক্ষণ।

দয়াল বাবা জালালী মাওলা সুদীর্ঘ ত্রিশ বছর আগেই ঐতিহাসিক বদর দিবসে তেনার পর্দা নেওয়ার পবিত্র দিন ও ক্ষণ ঘোষণা করেছিলেন। ২০১৭ সালের ১৭ই রমজান মোবারক, মঙ্গলবার রাত ঠিক ১০টার কাঁটায় কাঁটায় তেনার সেই অলৌকিক পর্দা গ্রহণ বাতিল আকিদার বিরুদ্ধে এক জ্যান্ত ও অকাট্য কারামত।

দয়াল বাবা জালালী মাওলা বলেছিলেন তেনার পর্দা করার পবিত্র দিন ও ক্ষণ
---Advertisement---

দয়াল নবী আপনার দরবারে আমি গোলাম হাজির হইয়াছি।

দয়াল বাবা জালালী মাওলা এমন একজন মহান আউলিয়া যেনার পবিত্র আধ্যাত্মিক জিন্দেগী, রূহার্নী সাধনা এবং জ্যান্ত কারামতসমূহ যুগে যুগে সত্যসন্ধানী ঈমানদার মুসলমানদের কলবে ঈমানের সুশীতল আলো প্রস্ফুটিত করছে এবং করবে। সুফি দর্শন, তাসাউফ শাস্ত্র এবং ইসলামের অকাট্য আকিদা অনুযায়ী “কারামাতুল আউলিয়া হাক্কুন” অর্থাৎ আল্লাহর প্রিয় ওলি-আউলিয়াগণের মাধ্যমে প্রকাশিত অলৌকিক কারামতসমূহ একশত ভাগ সত্য এবং তা মহান আল্লাহর কুদরতের এক জ্যান্ত চাক্ষুষ দলিল। দয়াল বাবা জালালী মাওলার সমগ্র পার্থিব জিন্দেগী এবং বাতেনি সফর ছিল সৃষ্টির আদি উৎস, সাইয়্যিদুল মুরসালীন নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুমহান শান ও মান বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার এক রূহার্নী ও বাতেনি মহাসংগ্রাম।

আজকের এই আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের যুগেও ওলী-আউলিয়াগণের বেলায়েতের ক্ষমতা যে কতটা বাস্তব ও জাগ্রত, তাঁর জ্যান্ত প্রমাণ হলেন দয়াল বাবা জালালী মাওলা। ২০১৭ সালের ১৩ই জুন (৩০শে জ্যৈষ্ঠ) ঘটে যাওয়া তেনার বাতেনি পর্দা নেওয়ার পবিত্র দিন ও ক্ষণ- সুদীর্ঘ ত্রিশ বছর আগেই ঘোষণা করা এবং সেই ঘোষিত সময়ের ঠিক কাঁটায় কাঁটায় অলৌকিক ঘটনাটি বাস্তব রূপ লাভ করার সেই অবিশ্বাস্য, প্রামাণ্য ও রূহানি দলিলভিত্তিক রূপ নিচে আলোচনা করা হলো।”

আল্লাহর ওলীর জবান-আল্লাহর জবান: তরিকতের আলোয় গভীর বাতেনি হাকিকত

তরিকত, তাসাউফ এবং আধ্যাত্মিক সাধনার গভীর রহস্য ও স্তরসমূহ অনুযায়ী, যখন একজন কামেল মুর্শিদ বা আল্লাহর ওলী কঠোর রিয়াজত, জিকির-আসকার, নফল ইবাদত এবং নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি খাঁটি মহব্বতের মাধ্যমে নিজের নফসকে সম্পূর্ণরূপে কোরবানি করে ‘ফানা ফিল্লাহ’ ও ‘বাকা বিল্লাহ’র সর্বোচ্চ মাকামে অধিষ্ঠিত হন, তখন তেনার নিজের ব্যক্তিগত ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা বলতে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। ওলী আল্লাহর ইচ্ছা তখন স্বয়ং পরম মাওলার কুদরতি ইচ্ছার এক বাতেনি আয়না বা প্রতিচ্ছবিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়।

দয়াল বাবা জালালী মাওলা ছিলেন তরিকতের সেই সর্বোচ্চ রূহানি মাকামের একচ্ছত্র অধিকারী, যেনার বাতেনি দৃষ্টি স্থান-কালের সমস্ত জাগতিক দেয়াল ভেদ করে অদৃশ্যের খবর এবং ভবিষ্যতের ঘটনাপ্রবাহকে পরম নিখুঁতভাবে চাক্ষুষ দেখতে পেত। ওলি-আউলিয়াগণের আধ্যাত্মিক উন্মোচন বা ‘কাশফ’ তত্ত্ব অনুযায়ী, ওলিদের জবান থেকে নিঃসৃত প্রতিটি পবিত্র বাণী নিছক কোনো পার্থিব শব্দ নয়; বরং তা হলো সরাসরি আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা এক একটি অখণ্ডনীয় চিরন্তন সত্য ইলহামী ইশারা ও আসমানী কুদরতের গোপন চাবিকাঠি, যা বহন করে হিকমতের গভীর ও সুদূরপ্রসারী অর্থ।

সহীহ হাদিসের অকাট্য আলোয় ওলীগণের আধ্যাত্মিক মাকামের সত্যতা

দয়াল বাবা জালালী মাওলার পবিত্র জবান এবং তেনার মাধ্যমে প্রকাশিত অলৌকিক কারামতসমূহ যে ইসলামের খাঁটি সুফি আকিদা ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের মূল ধারার একশত ভাগ অনুসারী, তার সবচেয়ে বড় এবং অকাট্য দলিল সংরক্ষিত রয়েছে সিহাহ সিত্তাহর অন্যতম প্রধান ও জগৎবিখ্যাত কিতাব সহীহ বুখারী শরীফের কিতাবুর রিকাক অধ্যায়ে।

পবিত্র বুখারী শরীফের ৬৫০২ নম্বর হাদিসে কুদসী ও বেলায়েতের অকাট্য হাকিকত

হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অত্যন্ত বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত হয়েছে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন, “আল্লাহ তাআলা বলেন-আমার বান্দা নফল ইবাদতের মাধ্যমে ক্রমাগত আমার নিকটবর্তী হতে থাকে, অবশেষে আমি তাকে পরম ভালোবাসায় গ্রহণ করি। আর যখন আমি আমার সেই প্রিয় বান্দাকে ভালোবাসি, তখন আমি স্বয়ং হয়ে যাই তাঁর শোনার কান, যার দ্বারা সে শোনে; আমি হয়ে যাই তাঁর দেখার চোখ, যার দ্বারা সে দেখে; আমি হয়ে যাই তাঁর ধরার হাত, যার দ্বারা সে ধরে এবং আমি হয়ে যাই তাঁর চলার পা, যার দ্বারা সে চলে।”

দলিল: সহীহ বুখারী, হাদিস নম্বর- ৬৫০২ (কিতাবুর রিকাক, অনুচ্ছেদ: আল্লাহর প্রতি বিনয় ও নম্রতা)

এই অকাট্য এবং অখণ্ডনীয় হাদিসে কুদসী প্রমাণ করে দেয় যে, আল্লাহ তাআলা যেনাদের হাত, চোখ, কান ও পা হয়ে যান, তেনাদের আত্মিক ক্ষমতা এবং জবানের শক্তি সাধারণ মানুষের পার্থিব ও যান্ত্রিক লজিকের সম্পূর্ণ ঊর্ধ্বে চলে যায়। তেনাদের কর্ম, কথা এবং অন্তরের প্রতিটি স্পন্দনে সরাসরি আল্লাহর ঐশ্বরিক ইচ্ছা প্রতিফলিত হয়। এই ওলি আউলিয়াগণ যুগে যুগে ছিলেন, বর্তমানেও আছেন এবং কেয়ামত পর্যন্ত ঈমানদারের হেদায়েতের আলো দেখানোর জন্য থাকবেন।

ত্রিশ বছর আগের বাতেনি ঘোষণা ও ওহাবীদের ভ্রান্ত আকিদা চূর্ণ করার জ্যান্ত ইতিহাস

দয়াল বাবা জালালী মাওলা জিন্দেগীভর নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুমহান শান, মান এবং তেনার পবিত্র ইলমে গায়েবের সত্যতা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরে দরদভরা রুহানি ও বীরত্বপূর্ণ আলোচনা করতেন। তিনি ওহাবীদের ভ্রান্ত, সংকীর্ণ ও গোঁড়া আকিদার বিরুদ্ধে বজ্রকণ্ঠে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়ে বলতেন: “আমার নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইলমে গায়েব জানেন এবং সবকিছু দেখেন শুনেন। আর ওহাবীরা নিজেদের অন্তরের অন্ধত্ব ও মূর্খতার কারণে বলে যে নবীজি গায়েব জানেন না।”

ওহাবীদের এই গোমরাহী আকিদাকে চূর্ণ করার জন্য দয়াল বাবা জালালী মাওলা পর্দা করার  দীর্ঘ ৩০ বছর পূর্বে এক মাহফিলে, হাজার হাজার মানুষের সামনে ওহাবীদের উদ্দেশ্যে একটি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন। তিনি স্পষ্ট কণ্ঠে বলেছিলেন: “নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম তো দূরের কথা, আমি গোলাম জালালীও গায়েবের খবর জানি। আমি আজ সবার সামনে বলে যাচ্ছি- ২০১৭ সালের ১৩ই জুন, ১৭ই রমজান, ঐতিহাসিক বদর দিবস, মঙ্গলবার রাত ঠিক ১০টার সময় আমি এই পার্থিব জগত ছেড়ে বাতেনি পর্দা করব। আমার এই কথা যদি হুবহু সত্য প্রমাণিত না হয়, তবে আমার দেহ নদীতে ফেলে দিও, আমার কোনো মাজার বানাইও না।”

অক্ষরে অক্ষরে সত্যের সাক্ষর: ঐতিহাসিক বদর দিবসের অলৌকিক রাত ১০টা

আজকের এই আধুনিক বিজ্ঞান, চিকিৎসা শাস্ত্রের সমীকরণ এবং পার্থিব জগতের সমস্ত লজিককে এক পরম বিস্ময়ে স্তব্ধ করে দিয়ে, দীর্ঘ ৩০ বছর আগে দয়াল বাবা জালালী মাওলার পবিত্র জবান থেকে নিঃসৃত প্রতিটি শব্দ অক্ষরে অক্ষরে সত্য প্রমাণিত হলো। তেনার সেই অলৌকিক ও ঐতিহাসিক ঘোষণার হুবহু মিল রেখে তিনি ২০১৭ সালের ১৩ই জুন (বাংলা ৩০শে জ্যৈষ্ঠ), পবিত্র ১৭ই রমজান মোবারক, ইসলামের ঐতিহাসিক বদর দিবসের মহাসম্মানিত দিনে, মঙ্গলবার রাত ঠিক ১০টার কাঁটায় এক অলৌকিক বাতেনি নূর ছড়িয়ে এই নশ্বর পৃথিবী থেকে পর্দা গ্রহণ করেন। এই জগতকাঁপানো ঘটনাটি সুফিবাদের ইতিহাসে ওলীদের বেলায়েতের শান ও আজমতকে বিশ্ব দরবারে এক রাজকীয় মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং ওহাবীদের মুখে চাক্ষুষ চুনকালি লেপে দিয়েছে।

পর্দা করার পূর্বাভাস ও দেহ মোবারক সম্পর্কে বাতেনি ও কুদরতি নির্দেশনা

দয়াল বাবা জালালী মাওলার কারামতের গভীরতা এখানেই শেষ নয়, বরং তেনার পর্দা নেওয়ার আগের দিনও এক অবিশ্বাস্য ঘটনার অবতারণা হয়েছিল। ১৬ই রমজান মোবারক, অর্থাৎ পর্দা নেওয়ার ঠিক আগের দিন, তিনি তেনার একনিষ্ঠ খাদেম, ভক্ত ও আশেকদের কাছে ডেকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পুনরায় মনে করিয়ে দিয়ে এরশাদ করেন: “আমি ঠিক আগামীকাল রাত ১০টার সময় এই দুনিয়া থেকে পর্দা নিতে যাচ্ছি।

আমি পর্দা নেওয়ার পর আমার এই দেহ মোবারক কোনো ফ্রিজে রাখবে না, কোনো বরফ দেবে না, তোমরা পরম নিশ্চিন্তে থেকো, আল্লাহর অসীম কুদরত ও রাহমাতুল্লিল আলামীন নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বাতেনি রহমতে আমার দেহ মোবারক ৩ দিন কিংবা ৭ দিন পর্যন্ত এভাবেই রাখলেও কোনো প্রকার পচন ধরবে না বা বিন্দুমাত্র দুর্গন্ধ সৃষ্টি হবে না।” তেনার এই কুদরতি নির্দেশ ছিল মূলত আধুনিক বিজ্ঞানের কোষীয় পচনশীলতার নিয়মের বিরুদ্ধে এক প্রকাশ্য বাতেনি চ্যালেঞ্জ, যা পরবর্তীতে হাজারো মানুষের সামনে চাক্ষুষ সত্য প্রমাণিত হয়েছিল।

চেহারা মোবারকে নূরের সাক্ষ্য ও অলৌকিক ঘাম ঝরার বিস্ময়কর হাকিকত

পর্দা নেওয়ার পর দয়াল বাবা জালালী মাওলার পবিত্র চেহারা মোবারকের জ্যোতি চাক্ষুষ এক স্বর্গীয় ও অলৌকিক রূপ ধারণ করেছিল, যা লাখো আশেক ও ওলামায়ে কেরাম নিজের চোখে দর্শন করেছেন। মৃত্যুর পর যেখানে সাধারণ মানুষের শরীর এক থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যে শক্ত, বিবর্ণ ও ঠাণ্ডা হয়ে যায়। আর দয়াল বাবা জালালী মাওলা পর্দা করার পর দেহ মোবারক ছিল পরম জ্যান্ত মানুষের মতো নরম, সুবাসিত ও প্রশান্তিময়। তেনার মাথা মোবারকের পাশে এবং পা মোবারকের কাছে সার্বক্ষণিক বৈদ্যুতিক ফ্যান বা পাখা সচল থাকা সত্ত্বেও, তেনার নূরানী কপাল ও চেহারা মোবারক বেয়ে পরম অলৌকিকভাবে সুগন্ধিযুক্ত ঘাম ঝরছিল! চেহারা মোবারকের সেই জ্যোতি ও ঘামের সুবাস ছিল এমন অপরূপ, যে ব্যক্তি একবার তেনাকে  দেখেছে, সে সারা জীবনেও সেই নূরের আলো কখনো ভুলতে পারবে না। তেনার এই জ্যান্ত কারামত ওহাবীদের মনগড়া আকিদাকে স্তব্ধ করে দিল এবং ওলী-আল্লাহগণের বেলায়েত যে পরম সত্য এবং নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে স্বয়ং ইলমে গায়েব জানেন- এই সত্যতাকে কেয়ামত পর্যন্ত এক চিরন্তন আলোকবর্তিকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে দিল।”

পরিশেষে: ঈমানদারের ঈমানী আলো ও তাজকিয়াতুন নাফসের পরম রূহার্নী শিক্ষা

পরিশেষে বলা যায়, দয়াল বাবা জালালী মাওলার এই অলৌকিক কারামত কেবল একটি ঐতিহাসিক বিবরণী বা গল্পকথা নয়; এটি হলো বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে বিভ্রান্ত উম্মতের কলবে ঈমানী আলো জাগ্রত করার এবং বাতেনি প্রশান্তি লাভ করার এক জ্যান্ত ও চিরন্তন আলোর দিশারী। প্রতিটি কারামত হলো এক একটি নিদর্শন, যা আল্লাহ নিজে তাঁর প্রিয় ওলিদের মাধ্যমে প্রকাশ করে বিশ্বাসীদের হৃদয়ে আত্মশুদ্ধির বীজ বুনে দেন এবং অবিশ্বাসীদের অহংকারকে স্তব্ধ করে দেন। দয়াল বাবা জালালী মাওলার প্রতি ইশক, মহব্বত এবং তেনার এই জ্যান্ত কারামতের ওপর দৃঢ় বিশ্বাস রাখাই হলো একজন প্রকৃত ঈমানদারের তাজকিয়াতুন নাফস বা আত্মশুদ্ধি অর্জনের মূল ভিত্তি। আসুন, আমরা ওলী-আউলিয়াগণের প্রতি আন্তরিক মহব্বত ও অটল আস্থা রাখি এবং তেনাদের বাণীর আলোকে নিজের কলবকে জাগ্রত করি, তবেই দুনিয়া ও আখিরাতে পরম বাতেনি প্রশান্তি ও মুক্তি লাভ করা সম্ভব হবে।

👉 এখানে চাপ দিয়ে ফ্রিতে Monetag অ্যাকাউন্ট খুলুন

© ২০২৬ golammorshedjalali.com • সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

💰 বিজ্ঞাপন ও মনিটাইজেশন: Monetag | 🌐 হোস্টিং: Putul Host

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Related Stories

Leave a Comment