দয়াল নবী আপনার দরবারে আমি গোলাম হাজির হইয়াছি।
মানুষের জীবনের শেষ ঠিকানা হলো মৃত্যু। তবে মৃত্যু কেবল শেষ নয়; কবর হলো দুনিয়া ও আখিরাতের মধ্যবর্তী এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল। যারা সত্যিকার ঈমান নিয়ে কবরে প্রবেশ করবেন, তারা শান্তি ও সুখের এমন এক অভিজ্ঞতা পাবেন, যা দুনিয়ার সুখের তুলনায় সত্তর গুণ বেশি। তাই ঈমান নিয়ে কবরে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি।
দয়াল বাবা জালালী মাওলা বলেন-
“জাররা পরিমাণ ঈমান নিয়ে কবরে গেলে দুনিয়ার থেকে ৭০ গুণ বেশি সুখী থাকবেন। আসুন, আমরা এই বিষয়টি গভীরভাবে বুঝার চেষ্টা করি এবং জানি, কীভাবে জীবনকে ঈমানের আলোয় আলোকিত করে কবরে শান্তি ও বরকত অর্জন করা সম্ভব।
নবীজি ﷺ এর সন্তুষ্টিতে বিনা হিসেবে জান্নাত
দয়াল বাবা জালালী মাওলা বলেন,
“কোরআনে শরিয়তে মোহাম্মদি আছে, তরিকতে মোহাম্মদি আছে, হাকিকতে মোহাম্মদি আছে এবং মারফতে মোহাম্মদি আছে।”
“ফামাল ইয়া মাল মিস্ক্বালা জর্রাহ্”
“জররা পরিমাণ ঈমান নিয়ে যদি কবরে যেতে পারেন, তাহলে দুনিয়ার থেকে ৭০ গুণ বেশি সুখী কবরে থাকবেন।”
একদল মানুষ আছে যারা মানুষদের শুধু ভয় দেখায়, কবরে চাপ দেবে, অনেক আজাব হবে। কবরের শাস্তি নিয়ে ভয় দেখানোর পরিবর্তে, আমাদের উচিত আল্লাহর রহমত ও নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রেমে উৎসাহিত করা। ছেলে-মেয়ে যদি বেয়াদবি করে, মা-বাবা বেত্রাঘাত করার পর মা-বাবার অন্তর নরম হয়ে যায়। আল্লাহ বলেন, “আমার ৯৯ রহমত আদম সন্তানের জন্য রেখেছি।” আল্লাহ বান্দা বানিয়েছেন, এই বান্দাদের কি এত কষ্ট দিবেন? আল্লাহর কি দয়া-মায়া নেই?
আল্লাহ বলেন, “ছাওকাতুস সোফা” – আমার বান্দাকে ভয় দেখিও না, আমার বান্দাকে উৎসাহ দাও। আমি মালিক, আমি খালিক। আমি আমার বন্ধু নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে মালিক বানিয়েছি। আমার বন্ধুকে রাজি, খুশি করতে পারলে আমি তার জন্য বিনা হিসেবে বেহেশত দান করে দেব।
পরিশেষে
যারা জাররা পরিমাণ ঈমান নিয়ে কবরে যাবেন, তারাই দুনিয়ার চেয়ে ৭০ গুণ বেশি সুখী কবরে থাকবেন। কবরের শাস্তি নিয়ে ভয় দেখানোর পরিবর্তে, আমাদের উচিত আল্লাহর রহমত ও নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রেমে উৎসাহিত করা। আল্লাহ বন্ধু নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি রাজি ও খুশি থাকেন তাহলে কোনো বিনিময় ছাড়া আল্লাহ জান্নাত দান করবেন।










