দয়াল নবী আপনার দরবারে আমি গোলাম হাজির হইয়াছি।
দয়াল নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উম্মতের প্রতি দয়ার সাগর, রহমতের চাঁদ। আমরা প্রতিদিন ঘরে প্রবেশ করি এবং ঘর থেকে বের হই। কিন্তু এই সাধারণ কাজের মধ্যেই লুকিয়ে আছে এক ছোট্ট আমল, যা আমাদের ঘরে রহমত ও বরকত বর্ষিত করতে পারে। আমরা কি সেই সুযোগকে ছেড়ে দিতে পারি? “প্রত্যেক ঘরে নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাজির: ঘরে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার ছোট্ট একটি আমল”- এই বিষয় নিয়েই আমরা আলোচনা করব।
দয়াল বাবা জালালী মাওলা ঘরে প্রবেশ এবং বাহির হওয়ার সময় আমরা কী করলে রহমত ও বরকত বর্ষিত হতে পারে, তা প্রকাশ করেছেন। তিনি আমাদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে, প্রতিদিনের এই সাধারণ কাজের মধ্যেও গভীর আধ্যাত্মিক বার্তা লুকিয়ে আছে। আসুন, তেনার বর্ণনায় জানি সেই সহজ কিন্তু শক্তিশালী আমলটি, যা আমাদের ঘরে বরকত ও খুশির পথ খুলে দিতে পারে।
ঘরে প্রবেশ এবং বাহির হওয়ার ছোট্ট একটি আমল
দয়াল বাবা জালালী মাওলা বলেন:
“প্রত্যেক ঘরে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাজির। তাই, একজন ঈমানদারের কর্তব্য হলো-
- ঘর থেকে বের হয়ে আস্-সালামু আলাইকা ইয়া রাসুলাল্লাহ বলে বের হওয়া।
- এরপর সারা দিন ব্যবসা-বাণিজ্য, কাম-কাজ শেষে আবার যখন বাড়িতে ফিরবেন, তখন আস্-সালামু আলাইকা ইয়া রাসুলাল্লাহ বলে ঘরে প্রবেশ করা।
রহমতের ওয়াদা
বাবা জালালী মাওলা বলেন, আল্লাহর কসম, আল্লাহর কসম, যে ঘরে এই আদব থাকবে-
- সে ঘরে কিয়ামত পর্যন্ত রহমত ও বরকত বর্ষিত হবে।
- সে ঘরে অসুস্থতা এলেও, সামান্য চিকিৎসাতেই শেফা নাজিল হবে।
পরিশেষে
ঘর থেকে বের হওয়া ও ফিরে আসার সময় নবীজিকে সালাম জানানো শুধু একটি আমল নয়, এটি রহমত ও বরকতের চাবিকাঠি। এই সুন্নতের আদব যে ঘরে থাকবে, কিয়ামত পর্যন্ত সে ঘর রহমত ও শান্তিতে ভরপুর থাকবে।
আসুন, আমরা এ আখলাককে নিজের জীবনে জায়গা দিই এবং পরিবারকেও তা শেখাই।










