দয়াল নবী আপনার দরবারে আমি গোলাম হাজির হইয়াছি।
নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের দোয়ার বরকতে সাহাবায়ে কেরামের জীবনে এমন এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন আসত যেখানে দুর্বলতা শক্তিতে এবং অক্ষমতা সক্ষমতায় রূপ নিত। তেমনই এক হৃদয়স্পর্শী ও ঈমান জাগানিয়া ঘটনা হযরত জারীর বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর জীবনে প্রতিফলিত হয়েছে, যা নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুজিযার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
নূর নবীজি ﷺ এর দোয়ায় অবিশ্বাস্য ফলাফল
হযরত জারীর বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে যুল খালাসা মন্দিরটি ধ্বংস করে দিতে নির্দেশ দিলেন। কিন্তু আমার স্বাস্থ্য এতটা দুর্বল ছিল যে, আমি ভালোভাবে ঘোড়ার সওয়ার হতে পারতাম না এবং অধিকাংশ সময় ঘোড়া থেকে পড়ে যেতাম।
রাসুলে পাক সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের খেদমতে আমার স্বাস্থ্যগত অপারগতার কথা জানালে তিনি আমার বুকের উপর তেনার পবিত্র হাত মোবারক রেখে আমার জন্য এই দোয়া করলেন, “ইয়া আল্লাহ! তাঁকে হেদায়েতপ্রাপ্ত এবং হেদায়েত দানকারী বানিয়ে দাও।”
হযরত জারীর বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, অতঃপর আমি দেড়শত ঘোড়সওয়ার নিয়ে যুল খালাসা দেব-মন্দির জ্বালিয়ে দিই এবং জীবনে আর কখনো ঘোড়া থেকে পড়ে যাইনি।
পরিশেষে
এই ঘটনা আমাদের শিক্ষা দেয়- নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের দোয়া কেবল শব্দ নয়, বরং এক জীবন্ত শক্তি, যা দুর্বলতাকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে। তেনার বরকত এমনই যে, একবার যার জীবনে প্রবেশ করে, তার অক্ষমতাও সক্ষমতায় পরিণত হয়। তাই তেনার প্রতি ভালোবাসা ও আনুগত্যই আমাদের জীবনের প্রকৃত সফলতার চাবিকাঠি।










