দয়াল নবী আপনার দরবারে আমি গোলাম হাজির হইয়াছি।
নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম আশি হাজার আলম এবং আঠার হাজার জাতের নবী। নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতিটি দৃষ্টি, প্রতিটি আচরণ এবং প্রতিটি স্পর্শে লুকিয়ে ছিল বরকত ও রহমত। সাহাবায়ে কেরাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম সেই নূরানী বরকতের সরাসরি সাক্ষী ছিলেন। হযরত আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনায় আজ আমরা জানতে পারব, নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেদিকে আঙুল ইশারা করতেন, আকাশের চাঁদও সেদিকে ঝুঁকে যেত।
নূর নবীজি ﷺ-এর নূরানী মুজিজা
হযরত আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত-
তিনি বলেন, আমি রাহমাতুল্লিল আলামিন নবী করিম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললাম, “আপনার নবুওয়াতের একটি নিদর্শন আমাকে ইসলাম গ্রহণ করতে উৎসাহিত করেছে।”
তা হলো, আপনি শিশু বয়সে দোলনায় বিশ্রামের সময় যখন হাত নেড়ে চাঁদের দিকে ইশারা করতেন, তখন আপনি যেদিকে আঙুল ইশারা করতেন, আকাশের চাঁদ সেদিকে ঝুঁকে যেত।
এ কথা শোনার পর নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি তখন চাঁদের সঙ্গে কথা বলতাম। তিনি আরও বলেন, চাঁদ যখন আরশের নিচে সেজদায় ঝুঁকে পড়ত আমি সেই নীরব শব্দও শুনতে পারতাম।”
পরিশেষে
নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের আঙুলের ইশারায় আকাশের চাঁদও ঝুঁকে পড়ত। অথচ কিছু লোক বলে, নবীজি আমাদের মতো সাধারণ মানুষ, দোষে-গুনে ভরা মানুষ, নবীজির কোনো বিশেষ ক্ষমতা নেই।
আসুন, ঈমান ও আকিদাকে দৃঢ় করি এবং নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রেমে পাগল হয়ে এহকাল এবং পরকালের মুক্তির পাথেয় তৈরি করি।










