দয়াল নবী আপনার দরবারে আমি গোলাম হাজির হইয়াছি।
নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম হলেন রহমত, বরকত ও আধ্যাত্মিক দীপ্তির এক অপার উৎস। তেনার প্রতিটি আচরণে ছিল মমতার স্পর্শ, প্রতিটি দোয়ায় ছিল কল্যাণের আহ্বান, আর প্রতিটি স্পর্শে ছিল আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহের ছোঁয়া। সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুম সেই নূরানী বরকতের জীবন্ত সাক্ষী ছিলেন। তেমনই এক হৃদয়ছোঁয়া বর্ণনা আজ আমাদের সামনে নতুন করে সেই মহিমান্বিত সত্যকে উন্মোচন করে।
নবীজির সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্পর্শের বরকত
একজন জুহানী সাহাবি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেন, তিনি এক স্থানে নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ইসলাম গ্রহণ করেন।
নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে দেখে স্নেহভরে আদর করেন এবং তেনার পবিত্র হাত মুবারক দ্বারা তাঁর মুখমণ্ডল মুছে দেন।
পরবর্তীতে ঐ সাহাবি দীর্ঘ জীবন লাভ করেন-প্রায় একশত বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। বর্ণনায় আরও এসেছে, তাঁর মুখের দাড়ি ও মাথার যেসব চুলে নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পবিত্র হাত মোবারকের স্পর্শ পৌঁছেছিল, সেগুলো ইন্তেকালের পূর্ব পর্যন্ত সাদা হয়নি।
পরিশেষে
নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্পর্শ ছিল কেবল স্নেহের প্রকাশ নয়, বরং তা ছিল বরকতের এক অনন্ত উৎস। তেনার মমতাময় হাত যে হৃদয়ে স্পর্শ করেছে, সে হৃদয় যেমন ঈমানের আলোয় আলোকিত হয়েছে-তেমনি তেনার বরকতে জীবনের বহু দিকেও অলৌকিক পরিবর্তন এসেছে।
এই বর্ণনা আমাদের শিখায়-নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সঙ্গে সম্পর্ক মানেই রহমত, বরকত এবং এক গভীর আধ্যাত্মিক প্রাপ্তি। আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সবাইকে তাঁর প্রিয় হাবীব সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ভালোবাসা ও সুন্নাহর পথে চলার তাওফিক দান করুন। আমীন।










