দয়াল নবী আপনার দরবারে আমি গোলাম হাজির হইয়াছি।
আল্লাহর অলিগণ কখনও কখনও এমন কিছু কাজ করে থাকেন, যা সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা সম্ভব হয় না। তেনাদের আধ্যাত্মিক শক্তি এমন একটি উচ্চতর স্তরে পৌঁছায় যে, তেনারা প্রাকৃতিক নিয়ম-কানুনের ঊর্ধ্বে অবস্থান করেন। তেমনই এক অলৌকিক ঘটনা “হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি-এর অলৌকিক সমুদ্র সফর” আসুন, সে সম্পর্কে জানি।
অলৌকিক সমুদ্র সফর
এক রাতে, প্রায় তিনটা বাজে। হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি হঠাৎ বললেন, “ফৌজদারহাট সমুদ্র সৈকতে যাব।” সঙ্গে থাকা সফরসঙ্গী বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, এত রাতে সমুদ্র সৈকতে যাবেন কেন?” হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি জবাব দিলেন, “সমুদ্রের ঢেউয়ের কলকল, ঝুপঝাপ ধ্বনিতে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এর জিকির ওঠে। আমি আজ খোয়াজ খিজির আলাইহিস সালামের জিকির শুনব।”
এ কথা বলেই তিনি ফৌজদারহাট সমুদ্র সৈকতের দিকে রওনা হয়ে গেলেন। তখন ঠাণ্ডা বাতাস বইছে, সাথে হালকা বৃষ্টিও পড়ছে। সমুদ্রে পৌঁছে হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি চলে যেতে লাগলেন গভীর সমুদ্রের দিকে। একসময় তিনি চোখের দৃষ্টিসীমার বাইরে চলে গেলেন। প্রায় এক ঘণ্টা পরে তিনি ফিরে এলেন। সফরসঙ্গী বিস্ময়ে দেখলেন- হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি-এর পোশাক একেবারে শুকনো! কোথাও পানি লেগে ভিজে যায়নি। অথচ তিনি যে গভীর সমুদ্রে প্রবেশ করেছিলেন, তা তাঁদের চোখেই দেখা।
পরিশেষে
এই ঘটনা আমাদের শেখায় যে, আল্লাহর প্রিয় অলিগণ এমন অবস্থানে পৌঁছান, যেখানে তেনারা প্রাকৃতিক আইনকেও অতিক্রম করতে সক্ষম হন। হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি-এর এই অলৌকিক সফর আমাদের মনে এক গভীর আধ্যাত্মিক ভাবনা সৃষ্টি করে, যেখানে প্রাকৃতিক বাধাগুলো হয়ে যায় নিরর্থক, এবং আল্লাহর মহিমা ও ক্ষমতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।









