গাউসুল আজম
গাউছে পাকের কারামত: শৈশবেই জুতা দেখে বলে দিলেন কে জান্নাতি, কে জাহান্নামি।
গাউছে পাকের কারামত শৈশবে এক বিস্ময়কর ঘটনার কথা উল্লেখ আছে। তিনি মসজিদে মুসল্লিদের জুতা দুই ভাগে সাজিয়ে জান্নাতি ও জাহান্নামি নির্ধারণ করেন। এই ঘটনা তেনার অলৌকিক প্রজ্ঞা ও আধ্যাত্মিক মর্যাদার একটি বহুল আলোচিত দৃষ্টান্ত হিসেবে ইসলামী ইতিহাসে উল্লেখিত, যা আজও গভীরভাবে স্মরণ করা হয়।
গাউছে পাকের কারামত: সত্তরবার দোয়ায় বদলে গেল মৃত্যুর লিখন।
এক ব্যবসায়ী সফরে বের হলে মৃত্যুর আশঙ্কায় পড়ে। গাউছে পাক রহমাতুল্লাহি আলাইহি তার জন্য সত্তরবার দোয়া করেন। আল্লাহ তাআলার রহমতে তার তাকদীরে থাকা মৃত্যু পরিবর্তিত হয়ে যায়। তিনি নিরাপদে ফিরে আসেন। এটি গাউছে পাকের কারামতের এক বিস্ময়কর ও হৃদয়স্পর্শী ঘটনা।
বহু চিকিৎসায় কাজ হয়নি, গাউসে পাক রহমাতুল্লাহি আলাইহির নির্দেশেই মিলল শিফা।
দীর্ঘদিনের অসহনীয় মাথাব্যথায় ভুগছিলেন এক নারী। বহু চিকিৎসার পরও মিলছিল না আরোগ্য। অবশেষে তাঁর স্বামী গাউসে পাক রহমাতুল্লাহি আলাইহির দরবারে সাহায্য প্রার্থনা করেন। হুযূরের নির্দেশ অনুযায়ী আমল করার পর আল্লাহ তাআলার রহমতে রোগমুক্তি লাভ করেন তিনি। এটি গাউসে পাকের কারামতের এক বিস্ময়কর ঘটনা।
গাউসে পাকের কারামত: হাদিয়ার থলে থেকে বের হলো রক্ত।
গাউসে পাক রহমতুল্লাহি আলাইহির দরবারে এক বাদশাহ হাদিয়া নিয়ে উপস্থিত হন। কিন্তু গাউসে পাক থলে হাতে নিয়ে চাপ দিলে সেখান থেকে রক্ত বের হতে থাকে। এই কারামতের মাধ্যমে তিনি বাদশাহর অন্যায়ভাবে অর্জিত সম্পদের সত্য প্রকাশ করে দেন এবং তাকে অনুতপ্ত হতে বাধ্য করেন।
ওলী আল্লাহদের শান ও মান: যাঁদের জন্য জমিনও গুটিয়ে যায়।
ওলী আল্লাহদের শান ও মান: যাঁদের জন্য জমিনও গুটিয়ে যায়-এই শিরোনামটি আল্লাহর প্রিয় বন্ধুদের উচ্চ মর্যাদা ও কারামাতকে প্রকাশ করে। তাঁদের জীবনে এমন ঘটনা ঘটে যেখানে আল্লাহর ইচ্ছায় দূরত্ব ও সময় বাধা হয় না। মোল্লা আলী ক্বারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ও গাউসুল আজম রহমাতুল্লাহি আলাইহির ঘটনা তা প্রমাণ করে।









