স্পর্শেই শিফা-নূর নবীজি ﷺ এর বরকতের এক অলৌকিক দৃষ্টান্ত।

স্পর্শেই শিফা-নূর নবীজি ﷺ এর বরকতের এক অলৌকিক দৃষ্টান্ত।
---Advertisement---

দয়াল নবী আপনার দরবারে আমি গোলাম হাজির হইয়াছি।

নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের দোয়া ছিল রহমতের ধারা, তেনার স্পর্শ ছিল শিফার আলো। যে হৃদয় তেনার সান্নিধ্য পেয়েছে, সে হৃদয় যেমন আলোকিত হয়েছে-তেমনি তেনার বরকতে দেহের কষ্টও লাঘব হয়েছে। এমনই এক ঘটনা হযরত হানজালা বিন হুযাইফা রাদিয়াল্লাহু আনহুর শৈশবের যে মুজিজা আমাদের জানায়, আল্লাহর প্রিয় হাবীব সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের সম্পর্ক মানেই এক অনন্ত রহমতের স্পর্শ।

নবীজি ﷺ দোয়ার প্রভাবে রোগমুক্তি

হযরত হানজালা বিন হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু শৈশবে যখন তাঁর পিতার সঙ্গে দয়াল নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে আসলেন, তখন নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর মস্তকে হাত রেখে দোয়া করলেন। ঐ দোয়ার প্রভাব এই ছিল যে, কারো মুখে ফোলা (স্ফীতি) হলে অথবা পশুর (যেমন বকরী বা ছাগল) শরীরেও ফোলা দেখা দিলে, হযরত হানজালা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর মস্তকের সঙ্গে তা স্পর্শ করালে তা সম্পূর্ণ নিরাময় হয়ে যেত।

[সূত্র: দালায়িলুন নবুওয়াহ, ইমাম বায়হাকী রহমাতুল্লাহি আলাইহি]

পরিশেষে

নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দোয়া ছিল শিফা, তেনার স্পর্শ ছিল রহমত, তেনার নূরানি দৃষ্টি হৃদয়ের আঁধার ভেদ করে ঈমানের আলো জ্বালিয়ে দিত। তেনার সান্নিধ্য ছিল এমন এক রহমতের সাগর, যেখানে দুঃখ-ব্যথা ডুবে গিয়ে প্রশান্তিতে রূপ নিত।

👉 এখানে চাপ দিয়ে ফ্রিতে Monetag অ্যাকাউন্ট খুলুন

© ২০২৬ golammorshedjalali.com • সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

💰 বিজ্ঞাপন ও মনিটাইজেশন: Monetag | 🌐 হোস্টিং: Putul Host

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment