দয়াল নবী আপনার দরবারে আমি গোলাম হাজির হইয়াছি।
ওলি আল্লাহগণের কারামত ঈমানদারের বিশ্বাস ও আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। কারামত হলো অলৌকিক ঘটনা, যা আল্লাহ তাঁর প্রিয় বান্দাদের মাধ্যমে প্রকাশ করেন। এই কারামতগুলো সাধারণত ওলী আল্লাহগণের আধ্যাত্মিক উচ্চতা, আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও আনুগত্যের প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
দয়াল বাবা জালালী মাওলার অসংখ্য কারামত রয়েছে। আজ আমরা তেনার একটি কারামত জানব, যা শুনে ইমানদারের ঈমান আরও বৃদ্ধি পাবে। চলুন, সেই কারামতটি সম্পর্কে জানি।”
সমালোচক মুরিদ হলো।
দয়াল বাবা জালালী মাওলাকে নিয়ে তেনার এলাকার একজন লোক সব সময় সমালোচনা করতো। ঐ লোকটা বলতো, “জালালী কিসের পীর? সে একজন ভণ্ড।” লোকটা প্রায়শই চায়ের দোকানে বসে চা পান করতো আর দয়াল বাবা জালালী মাওলাকে নিয়ে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করতো।
সে বলতো, “জালালী এতো টাকার মালিক, তারপরও সে হজ্জ করতে যায় না কেন? জালালী একটা মাহফিল করালে ৪০ (চল্লিশ) থেকে ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা পায়। কয়েকটা মাহফিলের টাকা হলে তো হজ্জ করা যেত। জালালী কিভাবে পীর হতে পারে, তার কাছে কেউ যাইও না, সে একজন ভণ্ড।”
ঐ লোকটা কয়েকদিন পর হজ্জে গেল সে যখন খানায়ে কাবা তাওয়াফ করছে, নজর করে দেখে দয়াল বাবা জালালী মাওলা খানায়ে কাবা তাওয়াফ করতেছে। সে খানায়ে কাবার মসজিদে নামাজ পড়তে গেছে, সে দেখতেছে দয়াল বাবা জালালী মাওলা তার আগের কাতারে নামাজ পড়তেছে। শুধু তাই নয়, সে হজ্জের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে যেখানে যেখানে গেছে, সেখানে সে দয়াল বাবা জালালী মাওলাকে দেখেছে।
ঐ লোকটা হজ্জ শেষে দয়াল বাবা জালালী মাওলার কদম মোবারক জড়ে ধরে বললো, “বাবা, আমি আপনাকে চিনতে পারিনি, বুঝতে পারিনি। আপনার বিরুদ্ধে অনেক অন্যায় কথা বলছি, আমাকে মাফ করে দিন। আপনি যে কত হাজার বার হজ্জ করছেন, তা একমাত্র আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছাড়া আর কেউ জানে না।” এরপর ঐ লোকটা তওবা করে দয়াল বাবা জালালী মাওলার কাছে মুরিদ হয়েছে।
পরিশেষে
বাইরের সমালোচনা সব সময় সঠিক হয় না। দয়াল বাবা জালালী মাওলার সত্যিকারের আধ্যাত্মিকতা শুধু আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম জানেন। ঐ ব্যক্তি বুঝতে পেরে তওবা করে দয়াল বাবা জালালী মাওলার কাছে মুরিদ হয়ে সঠিক পথে চলতে শুরু করল।








