দয়াল নবী আপনার দরবারে আমি গোলাম হাজির হইয়াছি।
মানুষ ভাবে-সম্পদ আর স্বাচ্ছন্দ্য থাকলেই সুখী হওয়া যায়। কিন্তু আসল সুখ নির্ভর করে অন্তরের শান্তি ও কৃতজ্ঞতার উপর। অনেক সময় একজন দরিদ্র মানুষও তার অন্তরের ধনসম্পদ দিয়ে ধনী মানুষকেও শিক্ষা দিয়ে যায়। আজকের গল্প সেই সত্যের প্রতিচ্ছবি।
দরিদ্রার গল্প
একটি ব্যস্ত শহরে বাস করত এক দরিদ্র মানুষ। ঘরে খাবার নেই, পরনের কাপড়ও ছিল জীর্ণ। প্রতিদিন সকালবেলা রাস্তায় বসে তিনি শুকনো রুটি বিক্রি করত। যা আয় হতো, তাই দিয়ে সামান্য ভাত জুটত তার সন্তানের জন্য।
একদিন শহরের এক ধনী ব্যবসায়ী তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। দরিদ্র মানুষটির ছেঁড়া কাপড় দেখে তার মনে প্রশ্ন জাগল—
“এমন জীবন নিয়েও মানুষ কীভাবে বাঁচে?”
ব্যবসায়ী এগিয়ে গিয়ে বলল,
— ভাই, তোমার তো খুব কষ্ট। এত অভাব নিয়ে তুমি কেমন আছো?
দরিদ্র মানুষটি হাসিমুখে উত্তর দিল
— অভাব তো কেবল দুনিয়ার। আমার কাছে আল্লাহর দেওয়া জীবন আছে, সুস্থ শরীর আছে, আর সন্তানের হাসিমুখ আছে। এ-ই তো আমার আসল সম্পদ।
ব্যবসায়ী অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল,
— অভাবের মধ্যেও তুমি খুশি থাকতে পারো কেমন করে?
দরিদ্র মানুষটি শান্ত স্বরে বলল,
— সুখ টাকা দিয়ে কেনা যায় না। সুখ হলো আল্লাহর দেয়া রিজিকে সন্তুষ্ট থাকা। যেদিন মানুষ এ শিক্ষা বুঝে যাবে, সেদিনই তার হৃদয় প্রশান্ত হবে।
ব্যবসায়ী নীরবে দাঁড়িয়ে রইল। তার মনে হলো, এত অর্থ থাকা সত্ত্বেও সে প্রকৃত সুখ পায়নি, আর এই দরিদ্র মানুষটি তাকে সেই সুখের রহস্য শিখিয়ে দিল।
পরিশেষে
এই গল্প আমাদের শেখায়- অভাব মানেই অসুখী নয়, বরং অসুখী হলো সেই মানুষ যে কৃতজ্ঞতা ভুলে যায়।
দরিদ্রা মানুষটির কৃতজ্ঞতা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সুখের মূল চাবিকাঠি হলো সন্তুষ্টি আর আল্লাহর প্রতি ভরসা।
অভাবের শিক্ষা হলো- আসল ধনসম্পদ মানুষের অন্তরে, আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতায়।











আঠারো হাজার সৃষ্টির মাঝে কেবল মানুষ টাকা রুজি করে।বাকি ১৭৯৯৯মাখলুক খোদার দেওয়া রিজিকেই সন্তুষ্ট। অতএব টাকা বাদ দিয়ে মাবুদ কে তালাশ করা সকলের জরুরি।
ধন্যবাদ সুন্দর একটা উপস্থাপন।