দয়াল নবী আপনার দরবারে আমি গোলাম হাজির হইয়াছি।
নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের নাম মুবারক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা দিয়ে উচ্চারণ করার মধ্যেই লুকিয়ে আছে এক অপরিসীম বরকত। সেই বরকত মানুষের শত বছরের পাপকেও মুছে দিতে পারে। হযরত ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত একটি ঘটনা তার জীবন্ত প্রমাণ।
২০০ বছরের গুনাহ মাফ
বনী ইসরাইলের এক ব্যক্তি ছিল প্রবল পাপী। টানা ২০০ বছর সে আল্লাহর নাফরমানী করে গেছে। মৃত্যুর পর মানুষ তাকে ঘৃণা করে আবর্জনার স্তূপে নিক্ষেপ করে।
এসময় আল্লাহ তাআলা হযরত মূসা আলাইহিস সালামকে ওহি করে বললেন-
“ওই ব্যক্তিকে সেখান থেকে তুলে আনো, তার জানাজা পড়ো এবং সম্মানের সঙ্গে দাফন করো।”
হযরত মূসা আলাইহিস সালাম অবাক হয়ে আরজ করলেন-
“হে আল্লাহ! বনী ইসরাইল সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, সে তো দুই শতাব্দী ধরে কেবল তোমার অবাধ্যতাই করেছে।”
আল্লাহ তাআলা বললেন-
“হ্যাঁ, সে পাপী ছিল। কিন্তু তার একটি বিশেষ অভ্যাস ছিল। যখনই সে তাওরাত শরিফে আমার প্রিয় হাবিব, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের নাম মুবারক পড়ত, তখন তা চুম্বন করে চোখে লাগাত এবং দরুদ পাঠ করত। এই ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার কারণে আমি তার সব গুনাহ ক্ষমা করে দিয়েছি এবং জান্নাতে তাকে সত্তর হুর উপহার দিয়েছি।”
পরিশেষে
এই ঘটনা আমাদের শিক্ষা দেয়- নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের নাম মুবারকের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা আল্লাহর দরবারে অসীম মর্যাদার অধিকারী। তাই আসুন, আমরা তেনার নাম মুবারক শুনলে অথবা পড়লে চুম্বন করে চোখে লাগাই এবং দরুদ শরীফ পাঠ করি। কেননা, এ ভালোবাসাই আমাদের মুক্তি ও নাজাতের সত্যিকারের পথ।











কুর্রাতা আইয়ুনি বিকা ইয়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে হাতের আঙ্গুলে চুমু খেয়ে সেই আঙুল চোখে মাসেহ করলে যেমন ফজিলত তেমনি বৈজ্ঞানিক ভাবে ও অনেক অনেক উপকার হয়।
ধন্যবাদ ছোটো ভাই আরো দারুণ দারুণ মাজেজা কারামাত লিখবে আশাকরি।
তথ্য অনুযায়ী।