দয়াল নবী আপনার দরবারে আমি গোলাম হাজির হইয়াছি।
আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ অপরূপ সুন্দর- তার আলো নীরবে অন্ধকার ভেদ করে চারদিক আলোকিত করে। কিন্তু সেই চাঁদের সৌন্দর্যও নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর নূরানী চেহারা মোবারকের সামনে সম্পূর্ণরূপে তুলনাহীন। তেনার চেহারা মোবারকের সৌন্দর্য এমনি অতুলনীয় যে, তেনার সৌন্দর্যের সাথে সৃষ্টিজগতের কোনো সৌন্দর্যের তুলনা চলে না।
চাঁদের আলো যেমন রাতের আঁধার দূর করে পথ দেখায়, তেমনি নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর নূরানী সৌন্দর্য সরাসরি হৃদয়ে প্রবেশ করে ঈমানকে জাগ্রত করে। আর সেই নূরানী সৌন্দর্যের বর্ণনা আজও ঈমানদার হৃদয়কে কাঁপিয়ে তোলে, ভালোবাসা ও মহব্বতে ভিজিয়ে দেয়।
সৃষ্টিজগতের সব সৌন্দর্যের ঊর্ধ্বে নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
জাবির ইবনে সামুরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত-
তিনি বলেন, আমি এক পূর্ণিমা রজনীতে, যখন চারদিক জ্যোৎস্নায় স্নিগ্ধ ও শান্ত আলোতে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লামকে লাল চাদর ও লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় দেখলাম।
তিনি বলেন-
“আমি কখনো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর দিকে তাকাচ্ছিলাম, আবার কখনো পূর্ণিমার চাঁদের দিকে। আমি দেখলাম, নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম পূর্ণিমার চাঁদের চেয়েও অধিক সুন্দর।”
তথ্যসূত্র- শামায়েলে তিরমিযি, হাদিস নং–৭।
পরিশেষে
পৃথিবীর কোনো সৌন্দর্যই নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর সৌন্দর্যের সমকক্ষ নয়। পূর্ণিমার চাঁদ যেখানে আলোর প্রতীক, তেমনি নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম হলেন হেদায়েতের আলো, রহমতের প্রতিচ্ছবি। তেনার মুখমণ্ডল মোবারক হলো প্রশান্তির আশ্রয়, তেনার উপস্থিতি ছিল আত্মার প্রশান্তি।
মহান আল্লাহ আমাদেরকে নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর প্রতি গভীর ভালোবাসা, সম্মান ও অনুসরণের তাওফিক দান করুন। আমিন।










