দয়াল নবী আপনার দরবারে আমি গোলাম হাজির হইয়াছি।
আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় অলিদের মাধ্যমে এমন কিছু করামত প্রকাশ করেন, যা আমাদের ঈমানকে দৃঢ় করে। দয়াল বাবা জালালী মাওলা ছিলেন এমনই একজন মহান আউলিয়া, যেনার দোয়ার বরকতে বহু মানুষ কল্যাণ লাভ করেছেন। আজ আমরা জানবো “দয়াল বাবা জালালী মাওলা এর দোয়া: কন্যা ও পুত্রের ভবিষ্যৎ বাণী” সম্পর্কে যা বিশ্বাসীদের ঈমানী শক্তি জাগিয়ে তোলে।
দয়াল বাবা জালালী মাওলার দোয়ার মহিমা
একদিন এক মুরিদ দয়াল বাবা জালালী মাওলা-কে নিজের বাড়িতে দাওয়াত করেন। দয়াল বাবা জালালী মাওলা সেই দাওয়াত গ্রহণ করে মুরিদের বাড়িতে গমন করেন। আপ্যায়নের পর মুরিদ বিনয়ের সাথে নিবেদন করে বলেন, “বাবা, আমার ছোট বউমা গর্ভবতী। দয়া করে তাঁর জন্য দোয়া করুন, যেন একটি ছেলে সন্তান হয়।” দয়াল বাবা জালালী মাওলা কিছুক্ষণ নীরব থাকলেন, তারপর মুরিদকে বললেন, “তোমার বউমাকে ডেকে আনো।”
বউমা এসে উপস্থিত হলে, দয়াল বাবা জালালী মাওলা স্নেহভরে তাকে উদ্দেশ করে বললেন, “মা, তোমার গর্ভে যে সন্তান আছে, সে কন্যাসন্তান। তবে আমি দোয়া করে দিলাম, তোমার দ্বিতীয় সন্তান হবে পুত্রসন্তান।” তিনি আরও বলেন, “তোমরা কোনো আলট্রাসনোগ্রাফি করো না। প্রথম সন্তান হবে কন্যা এবং দ্বিতীয় সন্তান হবে পুত্র। প্রথম কন্যাসন্তানটি হবে অপরূপ সুন্দরী। তার বিবাহের সময় কোনো অর্থকড়ির প্রয়োজন হবে না।”
সময় এগোতে থাকলো এবং দয়াল বাবা জালালী মাওলার প্রতিটি কথা বাস্তবে পরিণত হলো। প্রথম সন্তান হিসেবে জন্ম নেয় এক অপরূপ সুন্দরী কন্যা, এবং পরবর্তীতে জন্ম নেয় এক পুত্রসন্তান। আল্লাহর অলির দোয়া যে কিভাবে বাস্তবতার রূপ নেয়, এই ঘটনা তার উজ্জ্বল প্রমাণ হয়ে রইল।
পরিশেষে
দয়াল বাবা জালালী মাওলা এর এই করামত আমাদের শিক্ষা দেয় বিপদে, প্রয়োজনে বা যে কোনো চাহিদায় আল্লাহর প্রিয় অলিদের প্রতি ভরসা করলে, আল্লাহ তাআলা রহমতের দরজা খুলে দেন। আল্লাহর অলিদের প্রতি ভক্তি ও বিশ্বাস মানুষকে আল্লাহর নৈকট্যে পৌঁছে দেয়। তেনাদের দোয়া কখনোই বিফল হয় না।
অতএব, আমাদের উচিত তেনাদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পোষণ করা এবং তেনাদের জীবনাদর্শ থেকে শিক্ষা নেওয়া।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে তেনার প্রিয় বান্দাদের মহব্বত দান করুন। আমিন









