---Advertisement---

বাবা ভান্ডারীর কারামত – উগ্রবাদীদের হামলা ও অলৌকিক প্রতিরক্ষা।

November 3, 2025 3:29 PM
বাবা ভান্ডারীর কারামত - উগ্রবাদীদের হামলা ও অলৌকিক প্রতিরক্ষা।
---Advertisement---

দয়াল নবী আপনার দরবারে আমি গোলাম হাজির হইয়াছি।

বাবা ভান্ডারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর একনিষ্ঠ ভক্ত এবং বেতারশিল্পী মলকুতুর রহমানের জীবনে ঘটে যাওয়া এক অভাবনীয় ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই আলোচনা। “বাবাভান্ডারীর কারামত – উগ্রবাদীদের হামলা ও অলৌকিক প্রতিরক্ষা” শীর্ষক স্মৃতিচারণায় তিনি যে অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন, তা কেবল ভয়াবহ এক হামলার স্মৃতি নয়, বরং একজন আশেকের প্রতি ওলি-আল্লাহর কুদরতি হেফাজতের জীবন্ত প্রমাণ

চলুন জানি বাবা ভান্ডারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর সেই অনন্য কারামতের কথা, যা আমাদের ইমানি চেতনাকে নাড়িয়ে দেবে ও হৃদয়কে জাগিয়ে তুলবে

বাবা ভান্ডারীর করুণায় দায়রা ঘর নির্মাণ

মলকুতুর রহমান বলেন তাঁর এক প্রতিবেশী, যিনি একজন পরম একনিষ্ঠ আশেকানে ভান্ডারী, নিজ বাড়িতে নির্মাণ করেন একটি দায়রা ঘর- দায়রা” বলতে বোঝায় যা কেবল একটি ঘর নয়, বরং আত্মশুদ্ধি, জিকির, মুরাকাবা, ছেমা ও মিলাদ মাহফিলের রূহানী সাধনালয়। ঘরের উদ্বোধনী দিনে মলকুতুর রহমানসহ বারো জন আশেক একত্রিত হয়ে আয়োজন করেন মিলাদ শরিফ ও ছেমা মাহফিল। পুরো আয়োজনে ছিল এক অপার রূহানিয়াত ও বাবাভান্ডারীর রহমতের ছোঁয়া

উগ্রবাদিদের তাণ্ডব ও বাবা ভান্ডারীর গায়েবী আহ্বান

রাত আনুমানিক ১১টার দিকে, সেই রূহানী পরিবেশকে ছিন্ন করে একদল উগ্র মানুষ দায়রা ঘরে হানা দেয়। স্থানীয় কিছু ধর্মান্ধ মৌলভীর উসকানিতে প্রায় ৬০ জনের এক দল উগ্রচক্র আচমকা হামলা চালায়। তারা দায়রা ঘরে ঢুকে পড়ে এবং সরাসরি মলকুতুর রহমানের ওপর আক্রমণ করে

এক ব্যক্তি লাঠি দিয়ে তাঁর মাথায় প্রচণ্ড আঘাত করলে রক্ত গড়িয়ে পড়ে। চারপাশে হট্টগোল, আতঙ্ক আর উন্মাদনায় তিনি পেছনের দরজা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। ঠিক তখনই ভেসে আসে এক অলৌকিক গায়েবী কণ্ঠ- “বাচ্চা, মাত হটো।” এই কণ্ঠ ছিল বাবা ভান্ডারীর রূহানী আহ্বান, এই  আহ্বান যেন আকাশ ছুঁয়ে হৃদয়কে নিথর করে দেয়। তিনি পা ফেলার শক্তি হারিয়ে ফেলেন- এক অদৃশ্য শক্তি যেন তাঁকে স্থির করে দেয়

অলৌকিক প্রতিরক্ষা

হামলাকারীরা চিৎকার করতে থাকে, “মার! মলকুতকে জোরে মার!” তারা একের পর এক লাঠি দিয়ে আঘাত করলেও আশ্চর্যের বিষয় একটি আঘাতও তাঁর গায়ে লাগেনি। বরং তাদের মধ্য থেকেই কয়েকজন হঠাৎ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে, মাথা ফেটে যায়, রক্ত ঝরতে থাকে। ভয় তাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, এবং তারা আহত সঙ্গীদের নিয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়

পরিশেষে

এই কারামত আমাদের মনে করিয়ে দেয়- আল্লাহর ওলি যখন কারো অন্তরকে ছুঁয়ে যান, তখন বিপদ যতই তীব্র হোক না কেন, রক্ষার জন্য প্রয়োজন হয় না অস্ত্রের, কারণ রূহানী কুদরতের সামনে সব ষড়যন্ত্র পরাজিত হয়। এই ঘটনা এক জীবন্ত প্রমাণ-যারা সাচ্চা আশেক, তাঁদের ছায়া হয়ে থাকেন তাঁদের প্রিয় মুরশিদ

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment