নূর নবীজি ﷺ-এর মর্যাদা: কোরআনের চেয়ে কোটি কোটি গুণ বেশি- দয়াল বাবা জালালী মাওলার বয়ান।

পবিত্র কোরআনের চেয়ে নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ইজ্জত ও সম্মান কোটি কোটি গুণ বেশি। আজ জানবো দয়াল বাবা জালালী মাওলার আধ্যাত্মিক বয়ানের আলোকে সৃষ্টির সেই আদি নূরের সুমহান আজমত। আপনার ঈমানি তেজ বাড়াতে এবং কলবকে জিন্দা করতে এই বিশেষ রূহার্নী পোস্টটি এখনই পড়ুন।

নূর নবীজি ﷺ-এর মর্যাদা: কোরআনের চেয়ে কোটি কোটি গুণ বেশি- দয়াল বাবা জালালী মাওলার বয়ান
---Advertisement---

দয়াল নবী আপনার দরবারে আমি গোলাম হাজির হইয়াছি।

নূর নবীজি ﷺ-এর মর্যাদা এবং ইজ্জত ও সম্মান কোরআনের চেয়ে কোটি কোটি গুণ বেশি। কারণ, কোরআন মানবজাতির কাছে পৌঁছেছে শুধুমাত্র নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাধ্যমে। যদি নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম না থাকতেন, তবে কোরআন নাজিল হতো না। অতএব, তামাম সৃষ্টিজগতের মাঝে নূর নবীজি ﷺ-এর মর্যাদা কোরআনের চেয়ে কোটি কোটি গুণ শ্রেষ্ঠ।

দয়াল বাবা জালালী মাওলা বলেন- চিঠির মর্যাদা বেশি নাকি, যার উদ্দেশ্যে চিঠি লেখা হয়, তাঁর সম্মান বেশি? উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, কোরআন হলো আল্লাহ পাকের চিঠি, যা লেখা হয়েছে পরম বন্ধু মোস্তফা নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট।

সুতরাং, পবিত্র কোরআনের চেয়ে নূর নবীজি ﷺ-এর মর্যাদা ইজ্জত ও সম্মান কোটি কোটি গুণ বেশি  আসুন, আমরা জানি, দয়াল বাবা জালালী মাওলা এ বিষয়ে কি বলেছেন, যা আমাদের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে আলোর পথে পরিচালিত করবে।

কোরআন নূর নবীজি ﷺ-এর অধীনে

দয়াল বাবা জালালী মাওলা বলেন-

“কোরআন নাজিল হতো না, যদি সরকারে মদিনা নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম না থাকতেন। এই কোরআন আমার নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর অধীনে, নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোরআনের অধীনে নন। কোরআন নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের অধীনে কিভাবে? আল্লাহ একটি আইন জারি করলেন:

“বন্ধু, আপনার উম্মত যদি মনে মনে গুনাহের ধারণা করে, তবে আমি খোদা কিয়ামতে তার হিসাব নেবো।”

আল্লাহ যখন এই আইন জারি করলেন, আল্লাহ যখন এই আইন প্রণয়ণ করলেন, তখন আল্লাহর বন্ধু  নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম বেজার হয়ে গেলেন। তিনি বললেন, “ও খোদা! কথাটা বললা কি? তুমি যা বলো, তাই তো হয়। তোমার কথা ডিঙ্গানোর ক্ষমতা জগতে কারো নেই। আমার উম্মত শুধু মনে মনে গুনাহের ধারণা নয়, গুনাহের সাগরে ডুবে থাকবে। গুনাহের ধারণার জন্য যদি তুমি কিয়ামতের দিন হিসাব চাও, তাহলে গুনাহ করলে না জানি তুমি কী করবে!”

আল্লাহ বললেন, “বন্ধু, আমি বুঝতে পারছি, জানতে পারছি যে, আপনি অতিশয় আপনার উম্মতের জন্য দয়াবান। আমার এই আইনটা আপনার উম্মতের জন্য কঠিন হয়ে গেছে। তবে আপনি আমার দরবারে একটি দরখাস্ত করুন, আমি আমার এই কথা তুলে নেবো। আপনি যে আইন বলবেন, সেটাই আমি জারি করবো।”

আল্লাহ যখন আইন জারি করলেন:

“ওয়া ইন তুবদূ মাফী আনফুসিকুম আউ তুখফূ-হু ইয়ুহা সিবকুম বিহিল্লাহ”

“বন্ধু, আপনার উম্মত যদি মনে মনে গুনাহের ধারণা করে, তবে আমি খোদা কিয়ামতে তার হিসাব নেবো।”

তখন নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম নূরানী হাত মোবারক উঠিয়ে বললেন:

“রাব্বানা লা তুআ-খিযনা ইন নাসী না আউ আখতানা রাব্বানা ওয়ালা তাহমিল আলাইনা ইসরান কামা হামালতাহু আলাল্লাযী-না মিন ক্বাবলিনা রাব্বানা ওয়ালা তুহাম্মিলনা মা-লা ত্বোয়া ক্বাতা লানা বিহ্‌”

“হে আমার মাবুদ! আমার উম্মত যদি মনে মনে গুনাহের ধারণা করে, তবে কিয়ামতে এ হিসাব নিয়ো না। এত বড় সাজা আমার উম্মতের মাথায় দিয়ো না।”

আল্লাহ বললেন, “বন্ধু, আপনি হাত মোবারক নামিয়ে নিন। আপনার উম্মত যদি মনে মনে গুনাহের ধারণা করে, তবে আমি খোদা কিয়ামতে তার কোনো হিসাব নেবো না।”

উপসংহার: নূর নবীজি ﷺ-এর সুউচ্চ মর্যাদা

পরিশেষে দয়াল বাবা জালালী মাওলা বলেন- “নুযুলে খাস, হুকুমে আম; অর্থাৎ, এই আয়াত তেলাওয়াত করলে সওয়াব পাওয়া যাবে, তবে এর হুকুম কিয়ামত পর্যন্ত রহিত হয়ে গেছে।”

এই সত্যের আলোতে চাক্ষুষ প্রমাণিত হয় যে, নূর নবীজি ﷺ-এর মর্যাদা ও ইজ্জত পবিত্র কোরআনের চেয়েও কোটি কোটি গুণ শ্রেষ্ঠ। কেননা কোরআন নাজিল হয়েছে একমাত্র তেনারি নূরানি উসিলায় ও মাধ্যমে, আর তিনিই হলেন সৃষ্টির সেই আদি ও আসল নূর, যে নূরের বরকতে পুরো সৃষ্টিজগৎ সদা আলোকিত।

👉 এখানে চাপ দিয়ে ফ্রিতে Monetag অ্যাকাউন্ট খুলুন

© ২০২৬ golammorshedjalali.com • সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

💰 বিজ্ঞাপন ও মনিটাইজেশন: Monetag | 🌐 হোস্টিং: Putul Host

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment