---Advertisement---

মৌতের সময় দণ্ডায়মান থাকবেন নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

November 3, 2025 3:58 PM
মৌতের সময় দণ্ডায়মান থাকবেন নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
---Advertisement---

দয়াল নবী আপনার দরবারে আমি গোলাম হাজির হইয়াছি।

মৌতের কঠিন মুহূর্তে মানুষ নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ে। দুনিয়ার সবাই তখন দূরে সরে যায়। কোনো ডাক্তার, বন্ধু, আত্মীয়- এমনকি আপনজনের মুখও তখন অস্পষ্ট হয়ে যায়। এই মুহূর্তেই মানুষের চেতনা ও শক্তি হারিয়ে যায়। ঠিক সেই ভীতিকর মুহূর্তে ইমানদার উম্মতের পাশে দণ্ডায়মান থাকবেন দয়াল নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি কখনোই তেনার ইমানদার উম্মতকে একা ফেলে দেবেন না

দয়াল বাবা জালালী মাওলা বলেন- মৌতের কঠিন মুহূর্তে আজরাঈল আলাইহিস সালাম যত কষ্টসহকারে জান কবজ করুন না কেন, নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেই সময় সিয়ানে উপস্থিত থাকবেন এবং ইমানদার উম্মতের মৌতের বেড়া পার করে দেবেন

আসুন, আমরা জানি- কীভাবে ইমানদার উম্মতের মৃত্যু হবে সহজ ও শান্তিময়।

মৌতের কঠিন মুহূর্তে উম্মতের ভরসা নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম

দয়াল নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদীনার সিয়ানে তেনার লাঠি মোবারক থুতনি মোবারকের নিচে দিয়ে উত্তর দিকে ফিরে দাড়িয়ে আছেন। এমন সময় আজরাঈল আলাইহিস সালাম দক্ষিণ দিক দিয়ে আসতেছেন

আল্লাহ তাআলা বললেন,
“হে আজরাঈল! তুমি আমার বন্ধুর (নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাহেরি চোখের মধ্যে পড়ে গেছো। যাও, আমার বন্ধুর কাছে গিয়ে সালাম, মোছাফাহ, তাজিম করো। যতক্ষণ না আমার বন্ধু তোমাকে বিদায় দেন, তুমি আসবে না।”

আজরাঈল আলাইহিস সালাম বললেন-
“হে মাবুদ! জান কবজ কে করবে?”
আল্লাহ বলেন,
“সেই দায়িত্ব আমি নিলাম।”

এবার আজরাঈল আলাইহিস সালাম গিয়ে নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কদম গুঁছি করতে লাগলেন

দয়াল নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম আজরাঈল এর থুতনি ধরে ঠেলা দিয়ে বললেন,
“আজরাঈল! আমার পায়ে হাত লাগাইও না।”

আজরাঈল বিনীতভাবে জিজ্ঞেস করলেন,
“ইয়া রাসূল আল্লাহ! আমার অপরাধ কী?”

নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন,
“তোমার অপরাধ- তোমাকে দেখে আমার কলিজায় আগুন লেগে গেছে।”

আজরাঈল আলাইহিস সালাম বিস্মিত হয়ে বললেন,
“ ইয়া রাসূল আল্লাহ বেয়াদবি মাফ করবেন।”

নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন,
“আজরাঈল! তুমি আমার উম্মতের মৌত কিভাবে করবে?”

আজরাঈল আলাইহিস সালাম বলেন,
“ ইয়া রাসূল আল্লাহ! বয়লারে দিয়ে যেমন সিদ্ধ করা হয় তেমনি জান কবজের সময় আপনার উম্মতের শরীর নিষ্পেষিত হয়ে সিদ্ধ হয়ে যাবে।

নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন,
“আজরাঈল, শোন। আমাকে ভয় দেখিও না। ইউসুফ নবীর রুপ আমি নবীর এক ছটাক রুপ। ইউসুফ নবীর রুপ দেখে মিশরের এক হাজার মেয়ে হাতের কবজি পর্যন্ত আলাদা করে ফেলেছিল- কিন্তু কারো ব্যথা বা রক্তের কোন খবর ছিলো না।”

“আমি মদীনার কামলিওয়ালা নবী। আমার উম্মতের মৌতের সময় আমি নিজে সিয়ানে দণ্ডায়মান থাকবো। যতো কষ্টের সিহত মৌত করো না কেন উম্মত আমার দিকে চেয়ে থাকবে মৌতের কোন খবর পাবে না।

পরিশেষে

দয়াল বাবা জালালী মাওলার এই বর্ণনায় আমরা, যারা ইমানদার উম্মত, নিঃসন্দেহে আশ্বস্ত হতে পারি-
মৌতের সেই কঠিন ও নিঃসঙ্গ মুহূর্তে দয়াল নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে থাকবেন। তেনার দয়ায়ভরা উপস্থিতি আমাদের জন্য হবে মৌতের দাহ থেকে মুক্তির আশ্রয়।
সে সময় আমরা দেখব নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নূরানী চেহারা মোবারক,
যা অন্ধকার মৌতের পথকে আলোকিত করে তুলবে।
আজরাঈল আলাইহিস সালাম যতই কষ্টসহকারে জান কবজ করুন না কেন,
নূর নবীজির মমতা ও দয়ার সামনে সেই কষ্ট তুচ্ছ হয়ে যাবে।
কারণ, যিনি হলেন রহমতের সমুদ্র,
তেনার সামনে মৌতের দাবানলও নিঃশব্দে নিভে যায়

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

1 thought on “মৌতের সময় দণ্ডায়মান থাকবেন নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম।”

Leave a Comment