দয়াল নবী আপনার দরবারে আমি গোলাম হাজির হইয়াছি।
মানুষের যখন সব পথ বন্ধ হয়ে যায় ভেবে হতাশ হয়ে পড়ে, তখন আল্লাহর দরবারই তার শেষ আশ্রয় হয়ে ওঠে। আর আল্লাহর বন্ধু- ওলী আল্লাহগণ সেই দরবারের রহমতের দরজা খুলে দেওয়ার মাধ্যম। তেনাদের হাত, তেনাদের দোয়া, তেনাদের দৃষ্টিই হয়ে ওঠে আল্লাহর করুণার বাহক। নিচে এমন একটি ঘটনা তুলে ধরা হলো, যেখানে ওলী আল্লাহর হাতের স্পর্শেই এক অসুস্থ মানুষ ফিরে পেল পূর্ণ সুস্থতা।
হাতের ছোঁয়ায় আরোগ্য
পাহাড়ঘেরা এক নিরিবিলি গ্রামে বাস করত এক দরিদ্র কৃষক পরিবার। তাদের একমাত্র সন্তান বহু বছর ধরে কঠিন রোগে ভুগছিল। গ্রামীণ কবিরাজ থেকে শুরু করে শহরের ডাক্তার- সবার চিকিৎসা চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। ছেলেটি দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছিল, আর বাবা-মায়ের চোখ ভরে উঠেছিল অশ্রুতে, মনে ভর করেছিল হতাশা।
ঠিক সেই সময় গ্রামে সংবাদ এলো- দূরদেশ থেকে একজন আল্লাহর ওলী এসেছেন। তিনি আল্লাহর জিকিরে নিমগ্ন থাকেন, আর তেনার দোয়ার বরকতে বহু মানুষ আরোগ্য লাভ করেছে।
কৃষক এবং তার স্ত্রী আল্লাহর ওলীর নিকট দৌড়ে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে তেনার সামনে হাজির হলেন-
বাবা, আমার ছেলেটাকে বাঁচান। ডাক্তারও পারেনি। আমরা জানি, আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের দোয়া বিফল হয় না।
আল্লাহর ওলী কিছুক্ষণ নীরবে ছেলেটির দিকে তাকিয়ে রইলেন। তারপর ধীরে ধীরে হাত বাড়িয়ে অসুস্থ ছেলেটির মাথায় রাখলেন।
অলৌকিক এক প্রশান্তি ছেলেটির শরীর জুড়ে ছড়িয়ে পড়ল। তার নিস্তেজ দেহে যেন নতুন প্রাণ প্রবাহিত হলো। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই সে ধীরে ধীরে উঠে বসে দাঁড়িয়ে গেল। যে ছেলেটি বছরের পর বছর বিছানায় শয্যাশায়ী ছিল, সে দাঁড়িয়ে হাঁটতে শুরু করল।
উপস্থিত সকলে হতবাক হয়ে গেল। যেন তারা নিজেদের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিল না। ছেলেটির বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়ে আল্লাহর অলির পা আঁকড়ে ধরে বলল- বাবা, আজ আমরা আল্লাহর রহমত নিজের চোখে দেখলাম।
পরিশেষে
সেদিন থেকে গ্রামের মানুষ বুঝে গেল- আল্লাহর ওলী আল্লাহর রহমতের জীবন্ত নিদর্শন। তেনাদের চোখে থাকে নূর, কথায় থাকে সান্ত্বনা, আর দোয়ায় থাকে অসীম শক্তি। আল্লাহর অলির দৃষ্টি অন্তরকে জাগিয়ে তোলে, দোয়া ভাগ্যকে বদলে দেয়, আর হাতের ছোঁয়ায় নেমে আসে শিফা।











মাশাল্লাহ মারহাবা অনেক খুশি হলাম ছোট ভাই। আউলিয়ার সাথে থাকলে অলি আউলিয়া হওয়া যায় তদ্রূপ উনাদের শান মান তুলে ধরলে উনাদের রুহানি ফয়েজ আসতে থাকে।জাগতিক চিন্তা দূর হয়ে যায়।