লেপ মুড়িয়ে ঘুমান-শাহানশাহ সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারীর কারামত।

March 26, 2026 7:56 AM
লেপ মুড়িয়ে ঘুমান-শাহানশাহ সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারীর কারামত।
---Advertisement---

দয়াল নবী আপনার দরবারে আমি গোলাম হাজির হইয়াছি।

আজ আমরা আলোচনা করব শাহানশাহ সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী রহমতুল্লাহি আলাইহির এক বিস্ময়কর কারামত নিয়ে। কারণ, আল্লাহর ওলীদের জীবন শুধু ইবাদত ও সাধনায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং তেনাদের প্রতিটি কথা, প্রতিটি দৃষ্টি এবং প্রতিটি আচরণে লুকিয়ে থাকে এক গভীর রহস্যময়তা ও কারামতের ছোঁয়া। কখনো একটি সংক্ষিপ্ত নির্দেশই বদলে দেয় মানুষের পুরো জীবন, উল্টে দেয় ভাগ্যের হিসাব। তেমনই এক হৃদয়স্পর্শী ও অবাক করা ঘটনা যা শুনলে যে কেউ বিস্মিত না হয়ে পারে না

আসুন, জেনে নেই শাহানশাহ সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী রহমতুল্লাহি আলাইহির সেই বিস্ময়কর কারামত-যা আশেকদের হৃদয়ে প্রেমের ঢেউ তোলে এবং ঈমানকে করে তোলে আরও জীবন্ত

শাহানশাহ মাইজভান্ডারীর কারামত-যা বদলে দিল ভাগ্য

আধু মিয়া, পিতা-মৃত আমানত আলী; সাং-মাইজভান্ডার শরীফ; থানা-ফটিকছড়ি; জেলা-চট্টগ্রাম। তিনি বলেন-

“১৯৭৭ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি মেম্বার পদে প্রার্থী ছিলাম। আমাদের ভোটকেন্দ্র ছিল মাইজভান্ডার আমতলী স্কুল। নির্বাচনের দিন সকালে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগে দোয়া ও আশীর্বাদের আশায় আমি শাহানশাহ সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী রহমতুল্লাহি আলাইহির দরবারে হাজির হলাম।

তিনি আমাকে দেখেই বললেন-
‘ঘরে গিয়ে লেপ মুড়িয়ে ঘুমাও।’

এই অপ্রত্যাশিত নির্দেশ শুনেও আমি বিন্দুমাত্র দ্বিধা করিনি। দরবার থেকে ফিরে তেনার নির্দেশ অনুযায়ী লেপ মুড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। সারাদিন ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না-কোনো খবরও নেইনি। শুধু তেনার পবিত্র বাক্যের ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে নিশ্চিন্তে সময় কাটালাম।

নির্বাচন শেষে ভোট গণনায় দেখা গেল-আমি সর্বাধিক ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছি!

লোকজন যখন আনন্দ-উল্লাস করতে করতে আমার ঘরে এসে ডাকল, তখন আমি লেপ ছেড়ে বাইরে এলাম। সমর্থকরা আমাকে ফুলের মালা পরাতে চাইলে আমি তা গ্রহণ করলাম না। বললাম-
‘এই মালা আমার নয়।’

আমি সেই মালা হাতে নিয়ে সরাসরি শাহানশাহ সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী রহমতুল্লাহি আলাইহির দরবারে উপস্থিত হলাম এবং বিজয়ের সংবাদ জানালাম। তিনি শুধু মৃদু হেসে দিলেন-যেন সবকিছুই তেনার পূর্বজানা ছিল।”

পরিশেষে

এই ঘটনা আমাদের শিক্ষা দেয়-আল্লাহর ওলীদের একটি বাক্যই কখনো মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যেখানে দুনিয়ার হিসাব ব্যর্থ হয়, সেখানে তেনাদের আধ্যাত্মিক শক্তি কার্যকর হয়ে ওঠে

আসুন, আমরা ওলী-আউলিয়াগণের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা ও আস্থা রাখি, তেনাদের দেখানো পথ অনুসরণ করি-তাহলেই দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা অর্জন সম্ভব হবে

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment