দয়াল নবী আপনার দরবারে আমি গোলাম হাজির হইয়াছি।
গাউছে পাক রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বাগদাদের জমিনে বসেই ৮০ হাজার আলম ও ১৮ হাজার জাত দেখতে সক্ষম। এই অসাধারণ আধ্যাত্মিক ক্ষমতা তিনি নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি গভীর ভালোবাসার কারণে লাভ করেছেন। তেনার এই মহান মর্যাদা ইসলামী ইতিহাসে আধ্যাত্মিক মহিমার এক উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
দয়াল বাবা জালালী মাওলা গাউছে পাকের এই বিশেষ ক্ষমতা সম্পর্কে কী বলেছেন, আসুন আমরা সেই আধ্যাত্মিক বর্ণনা সম্পর্কে জানি এবং গাউছে পাকের মহিমা ও মর্যাদা গভীরভাবে উপলব্ধি করি।
গাউছে পাকের করামত
গাউছে পাক ওনার “সিররুল আসরার” কিতাবে লিখেছেন-
“নাজার তু ইলা বিলা দিল্লাহে জামান” আমার নানা নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের মোহাব্বতে।
আল্লাহ আমাকে এমন ক্ষমতা দান করেছেন যে, আমি আবদুল কাদের বাগদাদের জমিন থেকে নখের করনির ভিতরে ৮০ (আশি) হাজার আলম ও ১৮ (আঠারো) হাজার জাত দেখতেছি এবং দেখতে থাকবো কেয়ামত পর্যন্ত।
এখন কাদেরিয়া তরিকা গ্রহণকারী একজন ব্যক্তি বাড়িতে গিয়ে ঘুমিয়ে আছে।
তার হাঁটুর উপরে যদি কাপড় উঠে যায়, আমি বাগদাদ থেকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে তার হাঁটুর নিচে কাপড় টেনে দেওয়ার ক্ষমতা আল্লাহ আমাকে দান করেছেন।
পরিশেষে
৮০ হাজার আলম ও ১৮ হাজার জাতকে দেখার এই আধ্যাত্মিক ক্ষমতা গাউছে পাক আবদুল কাদের জিলানী রহমাতুল্লাহি আলাইহির অসাধারণ মর্যাদা ও আল্লাহ প্রদত্ত বিশেষ করামতের এক অনন্য নিদর্শন, যার মাধ্যমে তেনার গভীর আধ্যাত্মিক ক্ষমতা ও নবীপ্রেমের মহিমা আরও স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়।
গাউছে পাকের রুহানী নজরের বরকতে আমরা যেন নবীপ্রেম ও ওলীপ্রেমের পথে পরিচালিত হতে পারি-এই দোয়া ও প্রত্যাশাই রইল। আমিন।










